Featured Post

Recommended

ক্যাপচা কী? কেন ব্যবহৃত হয়? (What is CAPTCHA and it's uses)

    ক্যাপচা কী? কেন ব্যবহৃত হয়? (What is CAPTCHA and it's uses) আমরা যারা নিয়মিত ভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করি তাদের কাছে ক্যাপচা (CAPT...

ক্যাপচা কী? কেন ব্যবহৃত হয়? (What is CAPTCHA and it's uses)

ক্যাপচা কী? কেন ব্যবহৃত হয়? (What is CAPTCHA and it's uses)

  

captcha-and-it's-use

ক্যাপচা কী? কেন ব্যবহৃত হয়? (What is CAPTCHA and it's uses)

আমরা যারা নিয়মিত ভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করি তাদের কাছে ক্যাপচা (CAPTCHA) কোনো নতুন শব্দ নয়। আজ প্রায় সব ওয়েবসাইটেই কোনো না কোনো ফরম পূরণের সময় ক্যাপচা পুরন করতে হয়। আজ আমরা এই ক্যাপচা (CAPTCHA) এবং এটির কার্যপদ্ধতি (How CAPATCHA works?) সম্পর্কে ডিটেইলস জানার চেষ্টা করব।


ক্যাপচা (CAPTCHA) শব্দটির মানে কি বা এ শব্দটির পরভাষিক অর্থ কি (Meaning of CAPATCHA)?

CAPTCHA- আসলে বেশ কয়েকটি ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত বিশাল এক নামের সংক্ষিপ্ত রূপ। ক্যাপচা (CAPTCHA)-এর পূর্ণ রূপ হল – Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart। বাংলা করলে সম্পূর্ণরূপে মানুষ এবং কম্পিউটার এর মধ্যে পার্থক্য যাচাই-এর সয়ংক্রয়ি প্রক্রিয়ার নাম হল ক্যাপচা।

CAPTCHA বা ক্যাপচা’র মাধ্যমে একটি কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা সিস্টেম বা সফটওয়ার এটি নির্ধারণ করে যে ওয়েব পেজ বা সফটওয়ারটিতে মানুষ সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছে, নাকি তৃতীয় পক্ষের কোনো স্প্যাম রোবট সফটওয়ার সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছে। ক্যাপচা বা (CAPTCHA)- প্রক্রিয়ার সময় বিভিন্ন ধরনের ডাটা বা সংখ্যা, লেখা, ছবি কিংবা এমন কিছু তথ্য দেখে দেখে ইনপুট করতে বলা যা শুধুমাত্র একজন মানুষের পক্ষেই করা সম্ভব হবে। সাধারণত, কোনো কম্পিউটার বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রিত সিস্টেম বা সফটওয়ার  ক্যাপচা কখনই পূরণ করতে পারবে না।

 

ক্যাপচা কীভাবে কাজ করে?  How CAPTCHA works?

ক্যাপচা (CAPTCHA)- এর আবিস্কার হয়েছিল মূলত স্প্যামি সফটওয়্যার দ্বারা পোস্টকৃত অসংখ্য কমেন্টকে ঠেকাতে। ক্যাপচা এর সর্বাধিক প্রচলিত রূপ হল কিছু বিকৃত অক্ষর ও সংখ্যাযুক্ত একটি চিত্র বা সরাসরি কোনো ছবি। বর্তমানে অধিকাংশ ওয়েবসাইটে ক্যাপচা (CAPTCHA)- এর ও ব্যাপকভাবে প্রচলন শুরু হয়েছে।

 

ক্যাপচা (CAPTCHA) এর ইতিহাস (History of CAPTCHA)

ক্যাপচা যদিও ব্যবহারকারী রোবট কিনা তা যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বর্তমানে নানা ভাবে বহুল ব্যবহার করা হচ্ছে। তবু ২০০০ সালেই ক্যাপচা (CAPTCHA)  শব্দটি প্রথম বারের মত কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা ব্যবহার করেছিলেন। তবে অনলাইন পোল যাচাই করার জন্য সর্বপ্রথম  ১৯৯১ সালে ক্যাপচা(CAPTCHA)  ব্যবহার করা হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে, SlashDot একটি রিসার্চ তৈরি করেছিল যা তাদের ওয়েব ভিজিটরদের কম্পিউটার সায়েন্সেরে জন্য সবরচরয় সেরা স্নাতক স্কুলটি বেছে নিতে বলতো। তখন (CAPTCHA) নামটি চালু না হলেও এর ব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছিল।

তখন কার্নেগি মেলন এবং এমআইটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী টিম তাদের প্রতিষ্ঠানকে জেতাতে বারবার স্বয়ংক্রিয় ভোট প্রদানের জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রাম অর্থাৎ বট ম্যালওয়ার তৈরি করেছিল।

তখন এই প্রতিষ্ঠান গুলো হাজার হাজার ভোট পেলেও, অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো পায় মাত্র কয়েকশত ভোট।  এর প্রেক্ষিতেই ব্যবহারকারীরা যাতে স্বয়ংক্রিয় ভোট না দিতে পারে বা এর সুযোগ নিতে না পারে সেজন্য ক্যাপচা (CAPTCHA) তৈরী ও কার্যকর করা হয়েছিল।

ক্যাপচা (CAPTCHA)  এর  সবচেয়ে বেশি ব্যবহার ইয়াহু মেইল বা জিমেইল এর মত অসংখ্য ওয়েবসাইটে, যেখানে লোকেরা বিনামূল্যে মাল্টিপল অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারে। এসব ওয়েবসাইটগুলোতে বট সফ্টওয়ারগুলো অসংখ্য অ্যাকাউন্ট তৈরী করার চেষ্টা করে এবং এই প্রক্রিয়াকে বাধা দেয় ক্যাপচা (CAPTCHA) ।

এছাড়াও ওয়েবপেজ অথবা ব্লগে, যেকোনো ব্যাংকিং সাইটে বা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে মেসেজ বোর্ড অথবা কন্টাক্ট ফর্মগুলোতে আসা অসংখ্য স্প্যাম জাতীয় মেসেজ এবং কমেন্ট প্রতিরোধের জন্য ক্যাপচ্যা(CAPTCHA)  বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়। তবে CAPTCHA সরাসরি সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ কখনো করতে পারেনা, তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেসেজ পোস্ট করা থেকে বট সফটওয়ারকে সহজেই প্রতিরোধ করে।

 

ক্যাপচা (CAPTCHA) এর কার্যকরিতা কেমন? How much CAPTCHA is effective?

বর্তমানে প্রযুক্তি একসপার্টদের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে ক্ষতিকর হ্যাকারের সংখ্যাও। তারা আরো উন্নত পথে তাদের স্ক্যামিং কর্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছ এবং নতুন নতুন কৌশল তৈরী করছে। তাই যদিও ক্যাপচা (CAPTCHA) অনেকটাই নিরাপদ, কিন্তু বর্তমান সময়ে সাইবার অপরাধীরা তাদের স্ক্যাম বা বটগুলোকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলে CAPTCHA-এর প্রতিরোধ ব্যবস্থা দূর্বল করে ফেলছে।

 

ক্যাপচা (CAPTCHA) এর ব্যবহার কী? Where we use CAPTCHA?

(CAPTCHA) ক্যাপচা, ওয়েবসাইট এবং ব্যবহারকারীদের সুরক্ষিত রাখতে ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে নিচের ক্ষেত্রগুলোতে এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় –

১. প্রতারক বা ফ্রড থেকে ব্যক্তিগত ও কোম্পানীর ইমেইল সেবাকে রক্ষা করা

২. ওয়েবসাইটে যে কোনো নিবন্ধন পদ্ধতির ডাটা ও তথ্যকে রক্ষা করা

৩. অনলাইন পোলিং-এর সময় স্প্যাম ভোট থেকে রক্ষা করা

৪. স্প্যাম মেইল/জাঙ্ক মেইল থেকে থেকে আমাদের মেইল একাউন্টগুলোকে রক্ষা করা

৫. অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবপোস্টে কমেন্ট স্প্যামিং প্রতিরোধ করা

উপরে ক্ষেত্রগুলো ছাড়াও আরো নানা ক্ষেত্রেই ক্যাপচা (CAPTCHA বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়।

 

ক্যাপচা (CAPTCHA)  নিয়ে আপনার মন্তব্য কিংবা ভাবনা আমাদেরকে জানিয়ে দিন কমেন্ট সেকশনে।

আরো পড়ুন-

Microsoft Windows 11: You Can Use From Today - মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ ১১: আজই ব্যবহার করুন নতুন সব ফিয়েচার

 

স্বাস্থ্য বিষয়ে যে কোনো পরামর্শ, কনসাল্টেশন বা অথেন্টিক স্বাস্থ্য তথ্য আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন- www.dr-hasan.info

Microsoft Windows 11: You Can Use From Today - মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ ১১: আজই ব্যবহার করুন নতুন সব ফিয়েচার

Microsoft Windows 11: You Can Use From Today - মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ ১১: আজই ব্যবহার করুন নতুন সব ফিয়েচার

 

অনেক প্রত্যাশা আর সময় পর মাইক্রোসফ্ট তাদের নতুন উইন্ডোজ আগমনের ঘোষনা দিয়েছে। তার চেয়েও বড় ব্যপার মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজটির পুরোপুরি রিলিজের আগে ব্যবহারকারীদের তা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার ও পরিপূর্ণ ডিজাইন সহ ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে।

 

ফলে নিয়মিত রিলিজের আগে অবধৈ ভাবে ফাঁস হবার সম্ভাবনাও অনেকটা কমে যাবে বলে মাইক্রোসফ্ট আশা করছে। উইন্ডোজ ১১-এর কিছু নতুন ফিচার যা ব্যবহারকারীরা ব্যবহার করতে পারবেন-

 


১. সেন্ট্রাল টাস্কবার, নতুন অ্যানিমেশন এবং গোলাকার ধরনের কোণ ও সাথে স্নিগ্ধ নতুন ডিজাইন।

২. পিনযুক্ত অ্যাপ্লিকেশন ও রিকমেন্ডডে সেকশন সহ নতুন স্টার্ট মেনু, যেখান থেকে সহজেই সেগুলো খোলা যাবে।

৩. রিডিজাইনড Notification Center (shortcut: Win + N) এবং Quick Settings Menu (Win + A), যেগুলো আগে একসাথে থাকলেও এখন আলাদা।

৪. চমৎকার নতুন ফাইল এক্সপ্লোরার যা অফিসের মতো রিবন ইন্টারফেস আরও আধুনিক এবং সিম্পল ডিজাইন সম্পন্ন।

৫. নতুন ডার্ক এবং লাইট মোড থিম সহ অনেগুলো অতিরিক্ত থিম রয়েছ নতুন উইন্ডোজ ১১ তে।

৬. নতুন Widgets সেকশনে (Win + W), যোগ করা হয়েছে calendar, weather, local traffic, your Microsoft To Do lists, OneDrive photos, sports (and e-sports), stocks, এবং tips। সেখানে আরো যোগ করা হয়েছে বিভিন্ন স্বনামধন্য নিউজ সাইট হতে news feed.

৭. যোগ করা হয়েছে চমৎকার ফিচার “স্ন্যাপ ল্যা আউট” ও “স্ন্যাপ গ্রুপ” যার মাধ্যমে সহজেই এরেঞ্জ করা যাবে মাল্টপিল উইন্ডো এবং সহজেই উইন্ডোগুলোতে একসেস করা যাবে প্রয়োজন হলেই।

৮. ভার্চুয়াল ডেস্কটপ ফাংশনালিটিগুলোকে আরো উন্নত করা হয়েছে।

৯. ডকিং ফাংশনালিটিরও অসাধারন ডেভেলপ করা হয়েছে। ফলে আরো সহজেই কোনো এপ ডকিং এবং রিজিউম করা যাবে।

১০. মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য নতুন তিন এবং চার-আঙুলের টাচস্ক্রিন গেশ্চার যোগ করা হয়েছে।

১১. রিফ্রেশ রেট অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে।

১২. কন্ট্রোল প্যানেলের পরিবর্তে যোগ করা হয়েছে শক্তিশালী ও উন্নত সেটিংস ম্যানু।

১৩.  উইন্ডোজ ১১ এর সাথে মিল রেখে অফিস ইনসাইডারকে দেয়া হয়েছে নতুন লুক।

১৪. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনড্রয়েড এপ সমর্থন। উইন্ডোজ ১১ তেই চালানো যাবে এনড্রয়েডে এপ। এটা উইন্ডোজের একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন বলে টেক এক্সপার্টরা বলছেন।

উইন্ডোজ ১১-এর এই প্রি সংস্করণটি এখনই উইন্ডোজের ডেভেলপার চ্যানেল থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এটি এখনো আনেক বাগ বা নিরাপত্তা জটিলতা সম্পন্ন হতে পারে। সেজন্য পরামর্শ থাকবে মূল পিসি বা ল্যাপটপে এই ডেভেলপার ভার্সনটি ব্যবহার না করার জন্য।

এক্সপার্ট না হলে ২০২১ এর শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করুন ও চমৎকার একটি উইন্ডোজ ১১- এর পূর্ণ সংস্করন ব্যবহার করুন।

 

সংক্ষেপে মাইক্রোসফ্ট:

মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন একটি প্রযুক্তি সংস্থা। সংস্থাটি বিভিন্ন সফ্টওয়্যার পণ্য, পরিষেবা, ডিভাইস নিয়ে কাজ করে। কোম্পানির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলির মাঝে রয়েছে ডেভেলপমেন্ট বিভাগ এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া, আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স, ক্লাউড এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটিং বিভাগ।

কোম্পানির পণ্যগুলিতে মাঝে যেমন অন্তর্ভুক্ত আছে অপারেটিং সিস্টেম, তেমনি আছে ক্রস ডিভাইস অ্যাপ্লিকেশন; সার্ভার অ্যাপ্লিকেশন; ব্যবসায়ের সমাধান অ্যাপ্লিকেশন; ডেস্কটপ এবং সার্ভার পরিচালনার সরঞ্জামসমূহ; সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সরঞ্জাম; এবং ভিডিও গেমস, ব্যক্তিগত কম্পিউটার (পিসি), ট্যাবলেট, গেমিং এবং বিনোদন কনসোল, অন্যান্য ইন্টালিজেন্স ডিভাইস এবং এসব সম্পর্কিত আনুষাঙ্গিক ডিভাইস ডিজাইন করা, তৈরি করা এবং বিক্রয় করা।

এটি ক্লাউড-ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা সহ সহ গ্রাহকদের নানা রকম সফ্টওয়্যার, আইটি পরিষেবা, এবং আইটি সামগ্রী সরবরাহ করে।

 

মাইক্রোসফ্ট এর শুরু:

১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং পল জি অ্যালেন, সিয়াটেলের দুই বাল্য বন্ধুর বন্ধু, প্রাথমিক স্তরের কম্পিউটার (পিসি), আল্টায়ার ব্যবহারের জন্য জনপ্রিয় মেইনফ্রেম কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বেসিককে রূপান্তর করেছিল। এর অল্প সময়ের পরে, গেটস এবং অ্যালেন মাইক্রোসফ্ট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, মাইক্রো কম্পিউটার এবং সফ্টওয়্যার শব্দ থেকে নামটি পেয়েছিলেন।


Top 5 Best Android App Maker Website - No Coding.

Top 5 Best Android App Maker Website - No Coding.

Top 5 Best Android App Maker Website - No Coding.

বর্তমান যুগে, আমরা প্রায় সকলেই স্মার্ট ফোন ব্যবহার করি। এই স্মার্টফোনগুলো বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা গঠিত। যাতে করে আমরা সহজেই ফোন গুলো ব্যবহার করতে পারি। তার মধ্যে বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে Android, iOS.

How to Keep Secure Your WiFi Network I Increase Speed of WiFi

How to Keep Secure Your WiFi Network I Increase Speed of WiFi

How to Keep Secure Your WiFi Network I Increase Speed of WiFi


কারো বাসা, হোটেল-রেস্টুরেন্ট, শপিংমল বা এয়ারপোর্টে গিয়ে আমরা অনেকেই আগে ওয়াইফাই এর নাম আর পাসওয়ার্ড খুঁজি। যারা এ ফ্রী বা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছেন তাদেরকে খুব সাবধান থাকতে হবে বলেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

How to Keep Secure Your WiFi Network

কারণ এসব ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করলে আপনার ব্রাউজিং হিস্ট্রি, ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ ও জিমেইল এর মত গুরুত্বপূর্ণ একাউন্টের পাসওয়ার্ড বা লগইন ডিটেলস অন্য কারো কাছে চলে যেতে পারে। আপনি তো নিশ্চয়ই চাইবেন না যে আপনার অগোচরে অন্য কেউ আপনার গোপনীয় বার্তা দেখুন।


আর ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটা করলে ডেবিট কার্ড কিংবা ক্রেডিট কার্ডের পিন নাম্বার এবং অন্যান্য গোপনীয় তথ্য লিক হবার আশঙ্কা থাকে। তাই ফ্রি বা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার না করে মোবাইল ডাটা ব্যবহার করুন।


যদি ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করতেই হয় তাহলে সেটা গান শোনা মুভি দেখা কিংবা ব্লগ পড়ার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। আইটি বিশেষজ্ঞরা এমনটাই পরামর্শ দিয়েছেন। তবে আবারও বলছি, ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করে অনলাইন ব্যাংকিং কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার নেটওয়ার্কে লগইন করতে যাবেন না।


মোবাইল ডাটা না থাকলে চেষ্টা করুন যে সকল ওয়াইফাই আংশিক ফ্রী, অর্থাৎ, যে সকল ওয়াইফাইয়ের ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড কারো কাছ থেকে জেনে নিতে হয় সেগুলো ইউজ করার। যদিও সেটা পুরোপুরি নিরাপদ নয়।


ফ্রি বা আংশিক উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক ব্যবহারের ঝুঁকি কমাতে Virtual Private Network বা VPN ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে ফিল্টারিং এবং ওয়েবসাইট ব্লকিং এড়াতে পারবেন।


অনেক সময় হ্যাকাররা নিজেদের পরিচিত নাম গুলো ব্যবহার করে একটু এলোমেলো করে তাদের আলাদা একটি নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এক দৃষ্টিতে সেই হেরফের চোখে পড়বে না। তাই সহজেই আপনি তাদের ফাঁদে পা দিবেন। আর হ্যাকারদের তৈরি নকল নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে অনেক সময় পাসওয়ার্ড ও লাগেনা।


তাই ধরেন কোন রেস্তোরাঁয় যদি আপনি যান তাহলে সেখানকার বিক্রেতার কাছ থেকে ওয়াইফাই এর সঠিক নাম ও তার বানান এবং পাসওয়ার্ড ভালোভাবে দেখেই তারপর ব্যবহার করবেন।


আপনার হোম ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক এর সিগনাল যেন বাড়ির বাইরে বেশি প্রসারিত না হয় সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। অনেকেই আছেন রাউটারের নাম অনেকদিন থেকে বদলান না।


এতে করে কি হয়, হ্যাকাররা সহজেই বুঝে যান এই ব্যক্তি তার তথ্যের নিরাপত্তা সম্পর্কে উদাসীন। এতে আপনি সহজেই তাদের টার্গেটে পরিণত হয়। এজন্য ওয়াইফাই কানেক্ট করার পর এটির একটি নাম এবং শক্ত একটি পাসওয়ার্ড সেট করে দিন।


এবং প্রতি মাসেই আপনার ওয়াইফাই এর ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড বদলে নিয়েন। আরেকটা বিষয়, বিশ্বস্ত কোন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কাউকে ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড শেয়ার করতে যাবেন না।


আপনার ডিভাইসের ওয়াইফাই অটো কানেক্টেড থাকলে আগে ব্যবহৃত ওয়াইফাই সিগন্যাল পাওয়া মাত্রই ডিভাইসটি সংযুক্ত হয়ে যায়। অনেক সময় হ্যাকাররাও একই নামের ওয়াইফাই আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন ডিভাইস হ্যাক করে থাকে।


ওয়াইফাই অটো কানেক্টেড না রেখে কাজ শেষে সেটা বন্ধ রাখাই ভালো। এতে হ্যাকাররা আপনার তথ্য চুরির সুযোগ পাবে না বলেই আইটি এক্সপার্টরা বলছেন।


ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় ওয়েবসাইট ব্রাউজিং করার ক্ষেত্রে প্রতিটি url ভালো করে পর্যবেক্ষণ করুন। যদি ওয়েবসাইটের url এর শুরুতে https দেখেন, তাহলে বুঝবেন এই ওয়েব সাইটটি আপনার জন্য নিরাপদ। S দিয়ে secure বোঝানো হয়। যদি দেখেন http এর পরে কোন s নেই তাহলে অতি শীঘ্রই সেই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা বন্ধ করে দিন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ভালো ব্রাউজার ব্যবহার করা। যেমন Brave Browser


আপনি চাইলে Brave Browser ব্যবহার করতে পারেন। একটি ভালো ব্রাউজার আপনাকে অনিরাপদ ওয়েবসাইটের ব্যাপারে সতর্ক করে দেবে। আপনি চাইলে https everywhere Browser Extension টি ব্যবহার করতে পারে। জরুরি হলো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় যেকোনো সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক বা কোন কিছু ডাউনলোড করবেন না।


ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। তবে ফ্রী এন্টিভাইরাস নয়, চেষ্টা করুন ভালো মানের লাইসেন্সড্ এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে। এটি আপনাকে অনিরাপদ ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সম্পর্কে সতর্ক করবে।


উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালিত কম্পিউটারে ফায়ারওয়াল চালু রাখলে কিছুটা সুরক্ষিত থাকতে পারবেন। মোবাইল ব্রাউজার সেটিং অপশনে গিয়ে Do Not Track অপশনটি চালু করে রাখবেন। এতে করে আপনার লোকেশন কেউ ট্র্যাক করতে পারবে না। এছাড়া ইন্টার-কানেক্টেড অ্যাপ গুলোর ফাইল শেয়ারিং অপশনটি বন্ধ রাখলে ব্যক্তিগত ফাইল গুলো নিরাপদ রাখতে পারবেন।


এই নিয়মগুলো মেনে চললে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের আপনি যে শতভাগ নিরাপদ থাকবেন সেই গ্যারান্টি কিন্তু নেই। তবে, খুব সহজেই যে কারো টার্গেট হবেন না এতোটুকু বলা যেতে পারে।


ওয়াইফাই এর স্পিড বাড়াবেন কিভাবে?


ওয়াইফাই এর কারণে একসঙ্গে অনেকগুলো ডিভাইসকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় আনা যায়। এবং একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের ভিতরে কোন তার ছাড়াই নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়। ছোটখাটো কিছু বিষয় না জানার কারণে অনেক সময় এই ওয়াইফাই এর স্পিড স্লো হয়ে যায়। প্রযুক্তি বিষয়ক সংস্থা "Ofcom" কয়েকটি টিপস দিয়েছে।


  • নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান 5 গিগাহার্জ ডুয়েল ব্যান্ড কিংবা ট্রাই-ব্যান্ড মানে দুটি এন্টেনা বা তিনটি এন্টিনা যুক্ত রাউটার কিনুন।
  • এছাড়া কম্পিউটারের সঙ্গে ইন্টারনেটের সংযোগ ইথারনেট ক্যাবলের মাধ্যমে করা হলো স্পিড অনেক ভালো পাবেন।
  • যেখানে আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজ করা বেশি হয়, রাউটারটি তার কাছাকাছি বসাবেন।
  • রাউটার টি মাটিতে না রেখে টেবিলে বা উপরে কোথাও রাখুন।
  • দেয়াল ঘেঁষে না রেখে খোলা জায়গায় রাখলে ভালো হয়।
  • ওয়াইফাই এর স্পিড বাড়ানোর একটি মজার উপায় হলো রাউটারের যে ব্যান্ড তার উল্টো পাশে রুপালি রঙের একটি foil paper বসিয়ে দিন। এতে সিগনাল ভাল পাবেন।
  • ওয়াইফাই কভারেজ ভাল পেতে ম্যাশ ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা জরুরি।
  • নিয়মিত রাউটারের ফার্মওয়্যার আপডেট করুন।

PUBG NEW STATE Game Updates! -DroidFinders

PUBG NEW STATE Game Updates! -DroidFinders

PUBG NEW STATE Game Updates!

পাবজি লাভারদের জন্যে খুবই এক্সাইটিং একটা নিউজ হচ্ছে পাবজির সম্পূর্ণ নতুন একটি গেম আসতে চলেছে যার নাম হচ্ছে PUBG NEW STATE. এই গেমটি পাবজি ইউনিভার্স এর ৩য় গেইম।

How to Keep Secure Your Facebook Account?

How to Keep Secure Your Facebook Account?

How to Keep Secure Your Facebook Account?

আমরা প্রত্যেকেই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোর সাথে পরিচিত। এমনকি, আমাদের প্রায় সকলেরই কোন কোন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ফেসবুক টুইটার ইনস্টাগ্রাম লিংকডইন পিন্তেরেস্ট হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি আজকাল আমাদের খুবই পছন্দের সোশল মিডিয়া।


আমাদের দৈনন্দিন জীবনের পাশাপাশি আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া লাইফ টি ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সকলের উচিত আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টগুলোর প্রতি খুবই সর্তকতা অবলম্বন করা।
















x

তাই আজকে আমরা দশটি টিপস সম্পর্কে জানব যেগুলো ফলো করলে আমরা আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলো সুরক্ষিত এবং নিরাপদ রাখতে পারব।


How to keep secure your Facebook account?

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ফেসবুক। তাই আজ আমরা ফেসবুক একাউন্ট কিভাবে সিকিউর রাখা যায় সে সম্পর্কে জানব।

1. Strong Password

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড মানে হচ্ছে পাসওয়ার্ডের একটি কম্বিনেশন যা সহজে কেউ আন্দাজ করতে পারবে না। আমরা অনেক সময় খুব সহজ একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখি যেন আমরা পাসওয়ার্ডটি না ভুলে যাই।


কিন্তু সহজ পাসওয়ার্ড দেওয়ার ফলে আমাদের একাউন্টটি যেকোনো সময় হ্যা'ক হয়ে যেতে পারে। তাই আমাদের শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।


একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, আপনি পাসওয়ার্ড টির মধ্যে নাম্বার, অ্যালফাবেট, এবং স্পেশাল সিম্বল যেমন @, #, &, ? ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। পারলে বড় হাতের এবং ছোট হাতের বর্ণমালা মিলিয়ে একটি পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে।


এতে করে আপনার পাসওয়ার্ডটি খুবই শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং সাধারণ অ্যাটাক করে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট কেউ হ্যা'ক করতে পারবে না।


Fact: ফেসবুকের নির্মাতা মার্ক জুকারবার্গ এর ফেসবুক একাউন্ট হ্যা'ক হয়েছিল সহজ পাসওয়ার্ড দেওয়ার কারণে।


2. Real Name and Data


আমাদের মধ্যে অনেকেই ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোতে ফেক নেম মানে ছদ্মনাম ব্যবহার করে থাকে।


কিন্তু আপনার অ্যাকাউন্ট সেফ রাখার জন্য আপনাকে অবশ্যই আপনার রিয়েল নাম ঠিকানা জন্ম তারিখ ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।


কারণ, যদি কোন কারণে কখনো আপনার ফেইসবুক একাউন্টটি কম্প্রোমাইজ কিংবা হ্যা'ক হয়ে যায় তখন আপনি চাইলে আপনার ব্যক্তিগত আইডি দিয়ে ভেরিফাই করে আপনার ফেইসবুক একাউন্টটি পুনরায় আপনার কন্ট্রোলে আনতে পারবেন।


ফেসবুকে ভেরিফাই করার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট, অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর স্ক্যান কপি প্রয়োজন হয়। তাই অবশ্যই আপনার সত্যি কারের নাম ঠিকানা জন্ম তারিখ সহ অন্যান্য তথ্য ব্যবহার করবেন।


Fact: ফেকনেম ব্যবহারকারী ফেসবুক একাউন্ট গুলো খুব তাড়াতাড়ি ডিজেবল হয়ে যায়।


3. Two-step Verification


Two-step verification বা Two-Factor Authentication হচ্ছে আপনি যখন আপনার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে লগইন করতে যাবেন তখন আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট থেকে আপনার ই-মেইল বা ফোন নাম্বারে একটি OTP বা One Time Password এসএমএস করে পাঠানো হবে যা ব্যবহার করে আপনি আপনার একাউন্টে লগইন করতে পারবেন।


আপনার অ্যাকাউন্টটি অনেকটাই সিকিউর হয়ে ওঠে। কারণ কেউ যদি আপনার পাসওয়ার্ড জেনেও যায় তখন সে যখন লগইন করতে যাবে তখন আপনার মোবাইলে এসএমএস আসবে এবং ওটিপি কোড টি ও আপনার ফোনেই থাকবে। তাই সে চাইলেও আর লগইন করতে পারবেনা।


4. App Website Permission

ফেসবুক বা অন্যান্য কোন সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে আমরা যখন কোন অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে লগ ইন করতে চাই অথবা কোন ফিচার ব্যবহার করতে যাই তখন আমাদেরকে ফেসবুক দিয়ে লগইন করতে বলা হয়।


যখন কোন অ্যাপে ফেসবুক দিয়ে লগইন করতে হয় তখন আপনার সঙ্গে একটা পপ আপ উইন্ডো ওপেন হয়। সেখানে এই অ্যাপটির পারমিশন গুলো উল্লেখ করা থাকে। তাই অবশ্যই দেখে নিবেন আপনি যেই অ্যাপ বা ওয়েব সাইটটি ব্যবহার করতে চাচ্ছেন সেগুলো আপনার একাউন্টের কোন কোন পারমিশন গুলো চাচ্ছে।


আপনি চাইলে পারমিশন গুলো এডিট অপশন থেকে বন্ধ করে দিতে পারবেন।

আর লগইন করার পূর্বে অবশ্যই খেয়াল করবেন যে অ্যাপটি ট্রাস্টেড কিনা।

কোন অ্যাপ এ লগইন করার পর কাজ শেষে আপনি আপনার ফেসবুক একাউন্ট সেটিং অপশন থেকে ওই অ্যাপসগুলো রিমুভ করে দিবেন।


5. Hide login information

লগ ইন ইনফর্মেশন বলতে এখানে বুঝানো হয়েছে যে আপনার মোবাইল নাম্বার, ইমেইল অ্যাড্রেস যেগুলো দিয়ে আপনার ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট খোলা রয়েছে, সেগুলো অবশ্যই ফেসবুকে পাবলিশ করবেন না।


ফেসবুকের সেটিংস অপশন থেকে আপনার ই-মেইল এবং ফোন নাম্বার হাইড করে রাখবেন। এর ফলে কেউ সহজেই আপনার লগইন ডিটেলস ব্যবহার করে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট হ্যা'ক করতে পারবে না।


6. Don't open unknown link

যে লিংকটা আপনি চেনেন না কিংবা যে লিঙ্কটা পাঠিয়েছে সেই ব্যক্তি কে যদি আপনি না চিনেন তাহলে আপনি ভুলেও ওই লিংকে ক্লিক করবেন না।


কারণ আপনি ফিশিং-এর শিকার হতে পারেন। এছাড়াও আরও বিভিন্ন অ্যাটাকিং মেথড রয়েছে যা সাধারণত লিংক শেয়ারিং এর মাধ্যমে হয়ে থাকে। তাই দয়া করে এ ধরনের লিঙ্ক ক্লিক করা থেকে বিরত থাকবেন।


Fact: অ্যাটাকাররা বেশিরভাগ শর্ট করা লিংক ব্যবহার করে থাকে।


7. Don't Login from unknown devices

Unknown কোন জায়গায় আপনার ফেসবুকে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্টগুলো লগ ইন করা যাবে না। Unknown বলতে এখানে বুঝানো হয়েছে যে সকল ডিভাইস আপনার নিজস্ব ডিভাইস নয়। যেমন সাইবার ক্যাফে, আপনার বন্ধুর পিসি, বন্ধুর ফোন ইত্যাদি।


যদি আপনি তাকে ট্রাস্ট না করেন তাহলে সেখানেও আপনি লগইন করবেন না। কারণ সেখানেও হয়তো স্পাইওয়্যার থাকতে পারে যা আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগ-ইন ডিটেইলস মানে ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড সেভ করে রাখতে পারে। তাই এ সকল জায়গায় লগইন করার সময় অবশ্যই সম্পূর্ণ সর্তকতা এবং বিশ্বস্থতা যাচাই করে তারপরেই লগইন করবেন। না হয় লগইন করার প্রয়োজন নেই।


8. Remove Previous Login

আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত করার জন্য আপনাকে প্রিভিয়াসলি লগইন করা ডিভাইসগুলোর সেশন ক্লিয়ার করে দিতে হবে। ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইটে আপনাদের লগইন করা ডিভাইসের লিস্ট পেয়ে যাবেন।


সেখান থেকে আপনি সহজেই সবগুলো ডিভাইস থেকে আপনার অ্যাকাউন্টটি লগ আউট করে নিতে পারেন। এতে করে আপনার একাউন্টে অনেকটাই সুরক্ষিত হয়ে উঠবে।


9. Don't mess with anyone

ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এ কারো সাথে ঝামেলায় যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ আপনার কিছুই করতে পারবেনা এটা ভেবে অন্যের সাথে ঝগরা কিংবা ঝামেলা করলে, সেই ব্যক্তিটি হতে পারে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের জন্য খুবই বড় ক্ষতির কারণ। তাই ফেসবুক লাইক কে নরমালি নিবেন।


10. Hire a Pro Ha©ker

এই টিপসটা হচ্ছে শুধুমাত্র প্রফেশনাল মানুষদের জন্য। যদি আপনার কোনো ফেসবুক পেজ কিংবা বিজনেস অ্যাকাউন্ট থাকে তাহলে আপনাকে খুবই সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে।


সে ক্ষেত্রে আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক পেইজের দুর্বলতার যাচাই করতে একজন প্রফেশনাল হ্যা'কার কে ভাড়া করতে পারেন।


যে কিনা তার হ্যা'কিং অভিজ্ঞতা দ্বারা আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যা'ক করবে এবং কিভাবে হ্যা'ক হল সেটা আপনাকে খুলে বলবে। তারপর আপনার হয়ে সেই দুর্বলতা টিকে সলভ করে দিবে। যাতে করে ওই প্রতিবেদনে কেউ আপনার ফেসবুক একাউন্ট হ্যা'ক না করতে পারে।


Note: এই ছিল 10 টি উপায় যার মাধ্যমে আপনি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্টগুলো সুরক্ষিত রাখতে পারবেন। মনে রাখবেন, সোশ্যাল মিডিয়া লাইফ টি আপনার রিয়েল লাইফের একটি সিমুলেশন।


তাই আপনি রিয়েল লাইফের যেভাবে মানুষের সাথে ব্যবহার করেন ঠিক সেভাবেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যবহার করবেন। নিজে ভাল থাকবেন, সুরক্ষিত থাকবেন এবং অন্যদেরকেও সুরক্ষিত রাখবেন।