Featured Post


Types of course

 The 7 Types of Online Courses that You Need to Know About  Wandering into the universe of e-learning is regularly viewed as one of the most...

Types of course

Types of course

 The 7 Types of Online Courses that You Need to Know About 

Wandering into the universe of e-learning is regularly viewed as one of the most beneficial choices you can make at this moment. With a wide choice of socioeconomics to target and various issues you can discover an answer for, transforming your thoughts into sellable substance can be simple in the event that you realize what devices to utilize and which stage to head into. 

Yet, that does make one wonder: how would you approach showing individuals on the web? What medium would it be advisable for you to utilize? Luckily for you, online courses were never made to be nonexclusive. They can come in different structures which gives you enough space to make profoundly remarkable course educational programs that exploit current innovation. The following are a portion of the significant kinds of online course arranges that you should know about. 

The Flipped Course 

This is maybe the most widely recognized course type out there and most substance makers will in general plan their educational program to fit this form. Much of the time, the flipped course is like a common true homeroom address however with a contort. Where this present reality partner invests 90% of the energy examining the subject and 10% is passed on to study hall cooperations, the plan is switched in the flipped course henceforth the term. 

Fundamentally, you will spend the principal quarter of the period discussing the primary concerns of the module while the remainder of the time will be committed to you collaborating with your understudies, asking your understudies different inquiries while noting theirs. You can exploit this organization by handling the more troublesome aspects of your module during the dynamic learning time frame. 


This configuration is the most like a certifiable homeroom setting. Essentially, you and your understudies will meet "eye to eye" through a virtual homeroom or online grounds or whatever comparable apparatus that the stages you are important for will call them. The technique for educating here is likewise very comparable, you use whatever remains of the class showing the module while exercises are sprinkled now and again to keep your understudies locked in. 

The Hybrid Course 

Otherwise called the Blended Course, the Hybrid Course takes parts from both the Flipped and Face to Face courses to think of something one of a kind. Conventional up close and personal guidance is as yet present however seriously restricted. This implies that you can really have additional time committed to collaborating with understudies and resolving whatever issue they may have with the course. 


Another famous online course design, this course type takes full utilization of the devices promptly given to you at any of the different online course stages out there. You just distribute your course which can come in different media at a limited virtual clipboard just as tasks and tests. The understudies would then be able to get to these records whenever and finish the course at their own speed. Direct cooperation with your understudies may be restricted however this gives you more opportunity to resolve issues understudies may have with your course by and by, develop the subtleties of every module, or construct another course without any preparation. 

Friend Instruction 

Another idea from Harvard, this type of online course guidance is very new and requires no connection for yourself as well as your understudies. Essentially, everything you do is post the course prospectus with the subtleties of the module on a virtual clipboard and it will be simply the understudies who will talk about for themselves in regards to the subtleties of the subject in a gathering style medium. The shortfall of a power figure can make understudies even more agreeable and your course all the really engaging. 


A cross breed of the Web-based and Face-to-Face models, the Web-improved configuration permits you to meet your class at an allocated time and date to examine the central issues of a module. Like the vis-à-vis model, you can distantly collaborate with your understudies by asking them inquiries and noting theirs consequently. Notwithstanding, there will be parts to your course that will be accessible to understudies on an every minute of every day premise which gives them sufficient opportunity to get up to speed (particularly during seasons of helpless Internet association). This implies that understudies actually have the alternative to complete the course at their own speed. 


Referred to officially as the Massive Open Online Course, the MOOC is great for course that target enormous classes like that in a commonplace college study hall. This implies that this model is best for college educators who need to completely progress to a virtual channel with their directions. There are stages out there that urge course makers to plan their courses to oblige for a homeroom setting that can be topped off by in excess of 50 individuals without a moment's delay. At this point, MOOC understudies actually don't get kudos for taking the course yet the stage has been effective enough in allowing them to discover some new information and a simple mode for experienced teachers to exploit.

ক্যাপচা কী? কেন ব্যবহৃত হয়? (What is CAPTCHA and it's uses)

ক্যাপচা কী? কেন ব্যবহৃত হয়? (What is CAPTCHA and it's uses)



ক্যাপচা কী? কেন ব্যবহৃত হয়? (What is CAPTCHA and it's uses)

আমরা যারা নিয়মিত ভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করি তাদের কাছে ক্যাপচা (CAPTCHA) কোনো নতুন শব্দ নয়। আজ প্রায় সব ওয়েবসাইটেই কোনো না কোনো ফরম পূরণের সময় ক্যাপচা পুরন করতে হয়। আজ আমরা এই ক্যাপচা (CAPTCHA) এবং এটির কার্যপদ্ধতি (How CAPATCHA works?) সম্পর্কে ডিটেইলস জানার চেষ্টা করব।

ক্যাপচা (CAPTCHA) শব্দটির মানে কি বা এ শব্দটির পরভাষিক অর্থ কি (Meaning of CAPATCHA)?

CAPTCHA- আসলে বেশ কয়েকটি ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত বিশাল এক নামের সংক্ষিপ্ত রূপ। ক্যাপচা (CAPTCHA)-এর পূর্ণ রূপ হল – Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart। বাংলা করলে সম্পূর্ণরূপে মানুষ এবং কম্পিউটার এর মধ্যে পার্থক্য যাচাই-এর সয়ংক্রয়ি প্রক্রিয়ার নাম হল ক্যাপচা।

CAPTCHA বা ক্যাপচা’র মাধ্যমে একটি কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা সিস্টেম বা সফটওয়ার এটি নির্ধারণ করে যে ওয়েব পেজ বা সফটওয়ারটিতে মানুষ সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছে, নাকি তৃতীয় পক্ষের কোনো স্প্যাম রোবট সফটওয়ার সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছে। ক্যাপচা বা (CAPTCHA)- প্রক্রিয়ার সময় বিভিন্ন ধরনের ডাটা বা সংখ্যা, লেখা, ছবি কিংবা এমন কিছু তথ্য দেখে দেখে ইনপুট করতে বলা যা শুধুমাত্র একজন মানুষের পক্ষেই করা সম্ভব হবে। সাধারণত, কোনো কম্পিউটার বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রিত সিস্টেম বা সফটওয়ার  ক্যাপচা কখনই পূরণ করতে পারবে না।


ক্যাপচা কীভাবে কাজ করে?  How CAPTCHA works?

ক্যাপচা (CAPTCHA)- এর আবিস্কার হয়েছিল মূলত স্প্যামি সফটওয়্যার দ্বারা পোস্টকৃত অসংখ্য কমেন্টকে ঠেকাতে। ক্যাপচা এর সর্বাধিক প্রচলিত রূপ হল কিছু বিকৃত অক্ষর ও সংখ্যাযুক্ত একটি চিত্র বা সরাসরি কোনো ছবি। বর্তমানে অধিকাংশ ওয়েবসাইটে ক্যাপচা (CAPTCHA)- এর ও ব্যাপকভাবে প্রচলন শুরু হয়েছে।


ক্যাপচা (CAPTCHA) এর ইতিহাস (History of CAPTCHA)

ক্যাপচা যদিও ব্যবহারকারী রোবট কিনা তা যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বর্তমানে নানা ভাবে বহুল ব্যবহার করা হচ্ছে। তবু ২০০০ সালেই ক্যাপচা (CAPTCHA)  শব্দটি প্রথম বারের মত কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা ব্যবহার করেছিলেন। তবে অনলাইন পোল যাচাই করার জন্য সর্বপ্রথম  ১৯৯১ সালে ক্যাপচা(CAPTCHA)  ব্যবহার করা হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে, SlashDot একটি রিসার্চ তৈরি করেছিল যা তাদের ওয়েব ভিজিটরদের কম্পিউটার সায়েন্সেরে জন্য সবরচরয় সেরা স্নাতক স্কুলটি বেছে নিতে বলতো। তখন (CAPTCHA) নামটি চালু না হলেও এর ব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছিল।

তখন কার্নেগি মেলন এবং এমআইটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী টিম তাদের প্রতিষ্ঠানকে জেতাতে বারবার স্বয়ংক্রিয় ভোট প্রদানের জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রাম অর্থাৎ বট ম্যালওয়ার তৈরি করেছিল।

তখন এই প্রতিষ্ঠান গুলো হাজার হাজার ভোট পেলেও, অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো পায় মাত্র কয়েকশত ভোট।  এর প্রেক্ষিতেই ব্যবহারকারীরা যাতে স্বয়ংক্রিয় ভোট না দিতে পারে বা এর সুযোগ নিতে না পারে সেজন্য ক্যাপচা (CAPTCHA) তৈরী ও কার্যকর করা হয়েছিল।

ক্যাপচা (CAPTCHA)  এর  সবচেয়ে বেশি ব্যবহার ইয়াহু মেইল বা জিমেইল এর মত অসংখ্য ওয়েবসাইটে, যেখানে লোকেরা বিনামূল্যে মাল্টিপল অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারে। এসব ওয়েবসাইটগুলোতে বট সফ্টওয়ারগুলো অসংখ্য অ্যাকাউন্ট তৈরী করার চেষ্টা করে এবং এই প্রক্রিয়াকে বাধা দেয় ক্যাপচা (CAPTCHA) ।

এছাড়াও ওয়েবপেজ অথবা ব্লগে, যেকোনো ব্যাংকিং সাইটে বা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে মেসেজ বোর্ড অথবা কন্টাক্ট ফর্মগুলোতে আসা অসংখ্য স্প্যাম জাতীয় মেসেজ এবং কমেন্ট প্রতিরোধের জন্য ক্যাপচ্যা(CAPTCHA)  বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়। তবে CAPTCHA সরাসরি সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ কখনো করতে পারেনা, তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেসেজ পোস্ট করা থেকে বট সফটওয়ারকে সহজেই প্রতিরোধ করে।


ক্যাপচা (CAPTCHA) এর কার্যকরিতা কেমন? How much CAPTCHA is effective?

বর্তমানে প্রযুক্তি একসপার্টদের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে ক্ষতিকর হ্যাকারের সংখ্যাও। তারা আরো উন্নত পথে তাদের স্ক্যামিং কর্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছ এবং নতুন নতুন কৌশল তৈরী করছে। তাই যদিও ক্যাপচা (CAPTCHA) অনেকটাই নিরাপদ, কিন্তু বর্তমান সময়ে সাইবার অপরাধীরা তাদের স্ক্যাম বা বটগুলোকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলে CAPTCHA-এর প্রতিরোধ ব্যবস্থা দূর্বল করে ফেলছে।


ক্যাপচা (CAPTCHA) এর ব্যবহার কী? Where we use CAPTCHA?

(CAPTCHA) ক্যাপচা, ওয়েবসাইট এবং ব্যবহারকারীদের সুরক্ষিত রাখতে ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে নিচের ক্ষেত্রগুলোতে এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় –

১. প্রতারক বা ফ্রড থেকে ব্যক্তিগত ও কোম্পানীর ইমেইল সেবাকে রক্ষা করা

২. ওয়েবসাইটে যে কোনো নিবন্ধন পদ্ধতির ডাটা ও তথ্যকে রক্ষা করা

৩. অনলাইন পোলিং-এর সময় স্প্যাম ভোট থেকে রক্ষা করা

৪. স্প্যাম মেইল/জাঙ্ক মেইল থেকে থেকে আমাদের মেইল একাউন্টগুলোকে রক্ষা করা

৫. অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবপোস্টে কমেন্ট স্প্যামিং প্রতিরোধ করা

উপরে ক্ষেত্রগুলো ছাড়াও আরো নানা ক্ষেত্রেই ক্যাপচা (CAPTCHA বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়।


ক্যাপচা (CAPTCHA)  নিয়ে আপনার মন্তব্য কিংবা ভাবনা আমাদেরকে জানিয়ে দিন কমেন্ট সেকশনে।

আরো পড়ুন-

Microsoft Windows 11: You Can Use From Today - মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ ১১: আজই ব্যবহার করুন নতুন সব ফিয়েচার


Microsoft Windows 11: You Can Use From Today - মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ ১১: আজই ব্যবহার করুন নতুন সব ফিয়েচার

Microsoft Windows 11: You Can Use From Today - মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ ১১: আজই ব্যবহার করুন নতুন সব ফিয়েচার


অনেক প্রত্যাশা আর সময় পর মাইক্রোসফ্ট তাদের নতুন উইন্ডোজ আগমনের ঘোষনা দিয়েছে। তার চেয়েও বড় ব্যপার মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজটির পুরোপুরি রিলিজের আগে ব্যবহারকারীদের তা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার ও পরিপূর্ণ ডিজাইন সহ ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে।


ফলে নিয়মিত রিলিজের আগে অবধৈ ভাবে ফাঁস হবার সম্ভাবনাও অনেকটা কমে যাবে বলে মাইক্রোসফ্ট আশা করছে। উইন্ডোজ ১১-এর কিছু নতুন ফিচার যা ব্যবহারকারীরা ব্যবহার করতে পারবেন-


১. সেন্ট্রাল টাস্কবার, নতুন অ্যানিমেশন এবং গোলাকার ধরনের কোণ ও সাথে স্নিগ্ধ নতুন ডিজাইন।

২. পিনযুক্ত অ্যাপ্লিকেশন ও রিকমেন্ডডে সেকশন সহ নতুন স্টার্ট মেনু, যেখান থেকে সহজেই সেগুলো খোলা যাবে।

৩. রিডিজাইনড Notification Center (shortcut: Win + N) এবং Quick Settings Menu (Win + A), যেগুলো আগে একসাথে থাকলেও এখন আলাদা।

৪. চমৎকার নতুন ফাইল এক্সপ্লোরার যা অফিসের মতো রিবন ইন্টারফেস আরও আধুনিক এবং সিম্পল ডিজাইন সম্পন্ন।

৫. নতুন ডার্ক এবং লাইট মোড থিম সহ অনেগুলো অতিরিক্ত থিম রয়েছ নতুন উইন্ডোজ ১১ তে।

৬. নতুন Widgets সেকশনে (Win + W), যোগ করা হয়েছে calendar, weather, local traffic, your Microsoft To Do lists, OneDrive photos, sports (and e-sports), stocks, এবং tips। সেখানে আরো যোগ করা হয়েছে বিভিন্ন স্বনামধন্য নিউজ সাইট হতে news feed.

৭. যোগ করা হয়েছে চমৎকার ফিচার “স্ন্যাপ ল্যা আউট” ও “স্ন্যাপ গ্রুপ” যার মাধ্যমে সহজেই এরেঞ্জ করা যাবে মাল্টপিল উইন্ডো এবং সহজেই উইন্ডোগুলোতে একসেস করা যাবে প্রয়োজন হলেই।

৮. ভার্চুয়াল ডেস্কটপ ফাংশনালিটিগুলোকে আরো উন্নত করা হয়েছে।

৯. ডকিং ফাংশনালিটিরও অসাধারন ডেভেলপ করা হয়েছে। ফলে আরো সহজেই কোনো এপ ডকিং এবং রিজিউম করা যাবে।

১০. মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য নতুন তিন এবং চার-আঙুলের টাচস্ক্রিন গেশ্চার যোগ করা হয়েছে।

১১. রিফ্রেশ রেট অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে।

১২. কন্ট্রোল প্যানেলের পরিবর্তে যোগ করা হয়েছে শক্তিশালী ও উন্নত সেটিংস ম্যানু।

১৩.  উইন্ডোজ ১১ এর সাথে মিল রেখে অফিস ইনসাইডারকে দেয়া হয়েছে নতুন লুক।

১৪. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনড্রয়েড এপ সমর্থন। উইন্ডোজ ১১ তেই চালানো যাবে এনড্রয়েডে এপ। এটা উইন্ডোজের একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন বলে টেক এক্সপার্টরা বলছেন।

উইন্ডোজ ১১-এর এই প্রি সংস্করণটি এখনই উইন্ডোজের ডেভেলপার চ্যানেল থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এটি এখনো আনেক বাগ বা নিরাপত্তা জটিলতা সম্পন্ন হতে পারে। সেজন্য পরামর্শ থাকবে মূল পিসি বা ল্যাপটপে এই ডেভেলপার ভার্সনটি ব্যবহার না করার জন্য।

এক্সপার্ট না হলে ২০২১ এর শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করুন ও চমৎকার একটি উইন্ডোজ ১১- এর পূর্ণ সংস্করন ব্যবহার করুন।


সংক্ষেপে মাইক্রোসফ্ট:

মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন একটি প্রযুক্তি সংস্থা। সংস্থাটি বিভিন্ন সফ্টওয়্যার পণ্য, পরিষেবা, ডিভাইস নিয়ে কাজ করে। কোম্পানির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলির মাঝে রয়েছে ডেভেলপমেন্ট বিভাগ এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া, আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স, ক্লাউড এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটিং বিভাগ।

কোম্পানির পণ্যগুলিতে মাঝে যেমন অন্তর্ভুক্ত আছে অপারেটিং সিস্টেম, তেমনি আছে ক্রস ডিভাইস অ্যাপ্লিকেশন; সার্ভার অ্যাপ্লিকেশন; ব্যবসায়ের সমাধান অ্যাপ্লিকেশন; ডেস্কটপ এবং সার্ভার পরিচালনার সরঞ্জামসমূহ; সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সরঞ্জাম; এবং ভিডিও গেমস, ব্যক্তিগত কম্পিউটার (পিসি), ট্যাবলেট, গেমিং এবং বিনোদন কনসোল, অন্যান্য ইন্টালিজেন্স ডিভাইস এবং এসব সম্পর্কিত আনুষাঙ্গিক ডিভাইস ডিজাইন করা, তৈরি করা এবং বিক্রয় করা।

এটি ক্লাউড-ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা সহ সহ গ্রাহকদের নানা রকম সফ্টওয়্যার, আইটি পরিষেবা, এবং আইটি সামগ্রী সরবরাহ করে।


মাইক্রোসফ্ট এর শুরু:

১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং পল জি অ্যালেন, সিয়াটেলের দুই বাল্য বন্ধুর বন্ধু, প্রাথমিক স্তরের কম্পিউটার (পিসি), আল্টায়ার ব্যবহারের জন্য জনপ্রিয় মেইনফ্রেম কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বেসিককে রূপান্তর করেছিল। এর অল্প সময়ের পরে, গেটস এবং অ্যালেন মাইক্রোসফ্ট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, মাইক্রো কম্পিউটার এবং সফ্টওয়্যার শব্দ থেকে নামটি পেয়েছিলেন।

Top 5 Best Android App Maker Website - No Coding.

Top 5 Best Android App Maker Website - No Coding.

Top 5 Best Android App Maker Website - No Coding.

বর্তমান যুগে, আমরা প্রায় সকলেই স্মার্ট ফোন ব্যবহার করি। এই স্মার্টফোনগুলো বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা গঠিত। যাতে করে আমরা সহজেই ফোন গুলো ব্যবহার করতে পারি। তার মধ্যে বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে Android, iOS.

How to Keep Secure Your WiFi Network I Increase Speed of WiFi

How to Keep Secure Your WiFi Network I Increase Speed of WiFi

How to Keep Secure Your WiFi Network I Increase Speed of WiFi

কারো বাসা, হোটেল-রেস্টুরেন্ট, শপিংমল বা এয়ারপোর্টে গিয়ে আমরা অনেকেই আগে ওয়াইফাই এর নাম আর পাসওয়ার্ড খুঁজি। যারা এ ফ্রী বা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছেন তাদেরকে খুব সাবধান থাকতে হবে বলেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

How to Keep Secure Your WiFi Network

কারণ এসব ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করলে আপনার ব্রাউজিং হিস্ট্রি, ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ ও জিমেইল এর মত গুরুত্বপূর্ণ একাউন্টের পাসওয়ার্ড বা লগইন ডিটেলস অন্য কারো কাছে চলে যেতে পারে। আপনি তো নিশ্চয়ই চাইবেন না যে আপনার অগোচরে অন্য কেউ আপনার গোপনীয় বার্তা দেখুন।

আর ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটা করলে ডেবিট কার্ড কিংবা ক্রেডিট কার্ডের পিন নাম্বার এবং অন্যান্য গোপনীয় তথ্য লিক হবার আশঙ্কা থাকে। তাই ফ্রি বা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার না করে মোবাইল ডাটা ব্যবহার করুন।

যদি ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করতেই হয় তাহলে সেটা গান শোনা মুভি দেখা কিংবা ব্লগ পড়ার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। আইটি বিশেষজ্ঞরা এমনটাই পরামর্শ দিয়েছেন। তবে আবারও বলছি, ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করে অনলাইন ব্যাংকিং কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার নেটওয়ার্কে লগইন করতে যাবেন না।

মোবাইল ডাটা না থাকলে চেষ্টা করুন যে সকল ওয়াইফাই আংশিক ফ্রী, অর্থাৎ, যে সকল ওয়াইফাইয়ের ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড কারো কাছ থেকে জেনে নিতে হয় সেগুলো ইউজ করার। যদিও সেটা পুরোপুরি নিরাপদ নয়।

ফ্রি বা আংশিক উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক ব্যবহারের ঝুঁকি কমাতে Virtual Private Network বা VPN ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে ফিল্টারিং এবং ওয়েবসাইট ব্লকিং এড়াতে পারবেন।

অনেক সময় হ্যাকাররা নিজেদের পরিচিত নাম গুলো ব্যবহার করে একটু এলোমেলো করে তাদের আলাদা একটি নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এক দৃষ্টিতে সেই হেরফের চোখে পড়বে না। তাই সহজেই আপনি তাদের ফাঁদে পা দিবেন। আর হ্যাকারদের তৈরি নকল নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে অনেক সময় পাসওয়ার্ড ও লাগেনা।

তাই ধরেন কোন রেস্তোরাঁয় যদি আপনি যান তাহলে সেখানকার বিক্রেতার কাছ থেকে ওয়াইফাই এর সঠিক নাম ও তার বানান এবং পাসওয়ার্ড ভালোভাবে দেখেই তারপর ব্যবহার করবেন।

আপনার হোম ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক এর সিগনাল যেন বাড়ির বাইরে বেশি প্রসারিত না হয় সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। অনেকেই আছেন রাউটারের নাম অনেকদিন থেকে বদলান না।

এতে করে কি হয়, হ্যাকাররা সহজেই বুঝে যান এই ব্যক্তি তার তথ্যের নিরাপত্তা সম্পর্কে উদাসীন। এতে আপনি সহজেই তাদের টার্গেটে পরিণত হয়। এজন্য ওয়াইফাই কানেক্ট করার পর এটির একটি নাম এবং শক্ত একটি পাসওয়ার্ড সেট করে দিন।

এবং প্রতি মাসেই আপনার ওয়াইফাই এর ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড বদলে নিয়েন। আরেকটা বিষয়, বিশ্বস্ত কোন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কাউকে ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড শেয়ার করতে যাবেন না।

আপনার ডিভাইসের ওয়াইফাই অটো কানেক্টেড থাকলে আগে ব্যবহৃত ওয়াইফাই সিগন্যাল পাওয়া মাত্রই ডিভাইসটি সংযুক্ত হয়ে যায়। অনেক সময় হ্যাকাররাও একই নামের ওয়াইফাই আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন ডিভাইস হ্যাক করে থাকে।

ওয়াইফাই অটো কানেক্টেড না রেখে কাজ শেষে সেটা বন্ধ রাখাই ভালো। এতে হ্যাকাররা আপনার তথ্য চুরির সুযোগ পাবে না বলেই আইটি এক্সপার্টরা বলছেন।

ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় ওয়েবসাইট ব্রাউজিং করার ক্ষেত্রে প্রতিটি url ভালো করে পর্যবেক্ষণ করুন। যদি ওয়েবসাইটের url এর শুরুতে https দেখেন, তাহলে বুঝবেন এই ওয়েব সাইটটি আপনার জন্য নিরাপদ। S দিয়ে secure বোঝানো হয়। যদি দেখেন http এর পরে কোন s নেই তাহলে অতি শীঘ্রই সেই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা বন্ধ করে দিন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ভালো ব্রাউজার ব্যবহার করা। যেমন Brave Browser

আপনি চাইলে Brave Browser ব্যবহার করতে পারেন। একটি ভালো ব্রাউজার আপনাকে অনিরাপদ ওয়েবসাইটের ব্যাপারে সতর্ক করে দেবে। আপনি চাইলে https everywhere Browser Extension টি ব্যবহার করতে পারে। জরুরি হলো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় যেকোনো সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক বা কোন কিছু ডাউনলোড করবেন না।

ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। তবে ফ্রী এন্টিভাইরাস নয়, চেষ্টা করুন ভালো মানের লাইসেন্সড্ এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে। এটি আপনাকে অনিরাপদ ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সম্পর্কে সতর্ক করবে।

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালিত কম্পিউটারে ফায়ারওয়াল চালু রাখলে কিছুটা সুরক্ষিত থাকতে পারবেন। মোবাইল ব্রাউজার সেটিং অপশনে গিয়ে Do Not Track অপশনটি চালু করে রাখবেন। এতে করে আপনার লোকেশন কেউ ট্র্যাক করতে পারবে না। এছাড়া ইন্টার-কানেক্টেড অ্যাপ গুলোর ফাইল শেয়ারিং অপশনটি বন্ধ রাখলে ব্যক্তিগত ফাইল গুলো নিরাপদ রাখতে পারবেন।

এই নিয়মগুলো মেনে চললে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের আপনি যে শতভাগ নিরাপদ থাকবেন সেই গ্যারান্টি কিন্তু নেই। তবে, খুব সহজেই যে কারো টার্গেট হবেন না এতোটুকু বলা যেতে পারে।

ওয়াইফাই এর স্পিড বাড়াবেন কিভাবে?

ওয়াইফাই এর কারণে একসঙ্গে অনেকগুলো ডিভাইসকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় আনা যায়। এবং একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের ভিতরে কোন তার ছাড়াই নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়। ছোটখাটো কিছু বিষয় না জানার কারণে অনেক সময় এই ওয়াইফাই এর স্পিড স্লো হয়ে যায়। প্রযুক্তি বিষয়ক সংস্থা "Ofcom" কয়েকটি টিপস দিয়েছে।

  • নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান 5 গিগাহার্জ ডুয়েল ব্যান্ড কিংবা ট্রাই-ব্যান্ড মানে দুটি এন্টেনা বা তিনটি এন্টিনা যুক্ত রাউটার কিনুন।
  • এছাড়া কম্পিউটারের সঙ্গে ইন্টারনেটের সংযোগ ইথারনেট ক্যাবলের মাধ্যমে করা হলো স্পিড অনেক ভালো পাবেন।
  • যেখানে আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজ করা বেশি হয়, রাউটারটি তার কাছাকাছি বসাবেন।
  • রাউটার টি মাটিতে না রেখে টেবিলে বা উপরে কোথাও রাখুন।
  • দেয়াল ঘেঁষে না রেখে খোলা জায়গায় রাখলে ভালো হয়।
  • ওয়াইফাই এর স্পিড বাড়ানোর একটি মজার উপায় হলো রাউটারের যে ব্যান্ড তার উল্টো পাশে রুপালি রঙের একটি foil paper বসিয়ে দিন। এতে সিগনাল ভাল পাবেন।
  • ওয়াইফাই কভারেজ ভাল পেতে ম্যাশ ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা জরুরি।
  • নিয়মিত রাউটারের ফার্মওয়্যার আপডেট করুন।

PUBG NEW STATE Game Updates! -DroidFinders

PUBG NEW STATE Game Updates! -DroidFinders

PUBG NEW STATE Game Updates!

পাবজি লাভারদের জন্যে খুবই এক্সাইটিং একটা নিউজ হচ্ছে পাবজির সম্পূর্ণ নতুন একটি গেম আসতে চলেছে যার নাম হচ্ছে PUBG NEW STATE. এই গেমটি পাবজি ইউনিভার্স এর ৩য় গেইম।