How to Keep Secure Your WiFi Network I Increase Speed of WiFi

How to Keep Secure Your WiFi Network I Increase Speed of WiFi

How to Keep Secure Your WiFi Network I Increase Speed of WiFi
20 March, 2021

How to Keep Secure Your WiFi Network I Increase Speed of WiFi


কারো বাসা, হোটেল-রেস্টুরেন্ট, শপিংমল বা এয়ারপোর্টে গিয়ে আমরা অনেকেই আগে ওয়াইফাই এর নাম আর পাসওয়ার্ড খুঁজি। যারা এ ফ্রী বা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছেন তাদেরকে খুব সাবধান থাকতে হবে বলেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

How to Keep Secure Your WiFi Network

কারণ এসব ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করলে আপনার ব্রাউজিং হিস্ট্রি, ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ ও জিমেইল এর মত গুরুত্বপূর্ণ একাউন্টের পাসওয়ার্ড বা লগইন ডিটেলস অন্য কারো কাছে চলে যেতে পারে। আপনি তো নিশ্চয়ই চাইবেন না যে আপনার অগোচরে অন্য কেউ আপনার গোপনীয় বার্তা দেখুন।


আর ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটা করলে ডেবিট কার্ড কিংবা ক্রেডিট কার্ডের পিন নাম্বার এবং অন্যান্য গোপনীয় তথ্য লিক হবার আশঙ্কা থাকে। তাই ফ্রি বা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার না করে মোবাইল ডাটা ব্যবহার করুন।


যদি ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করতেই হয় তাহলে সেটা গান শোনা মুভি দেখা কিংবা ব্লগ পড়ার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। আইটি বিশেষজ্ঞরা এমনটাই পরামর্শ দিয়েছেন। তবে আবারও বলছি, ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করে অনলাইন ব্যাংকিং কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার নেটওয়ার্কে লগইন করতে যাবেন না।


মোবাইল ডাটা না থাকলে চেষ্টা করুন যে সকল ওয়াইফাই আংশিক ফ্রী, অর্থাৎ, যে সকল ওয়াইফাইয়ের ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড কারো কাছ থেকে জেনে নিতে হয় সেগুলো ইউজ করার। যদিও সেটা পুরোপুরি নিরাপদ নয়।


ফ্রি বা আংশিক উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক ব্যবহারের ঝুঁকি কমাতে Virtual Private Network বা VPN ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে ফিল্টারিং এবং ওয়েবসাইট ব্লকিং এড়াতে পারবেন।


অনেক সময় হ্যাকাররা নিজেদের পরিচিত নাম গুলো ব্যবহার করে একটু এলোমেলো করে তাদের আলাদা একটি নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এক দৃষ্টিতে সেই হেরফের চোখে পড়বে না। তাই সহজেই আপনি তাদের ফাঁদে পা দিবেন। আর হ্যাকারদের তৈরি নকল নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে অনেক সময় পাসওয়ার্ড ও লাগেনা।


তাই ধরেন কোন রেস্তোরাঁয় যদি আপনি যান তাহলে সেখানকার বিক্রেতার কাছ থেকে ওয়াইফাই এর সঠিক নাম ও তার বানান এবং পাসওয়ার্ড ভালোভাবে দেখেই তারপর ব্যবহার করবেন।


আপনার হোম ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক এর সিগনাল যেন বাড়ির বাইরে বেশি প্রসারিত না হয় সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। অনেকেই আছেন রাউটারের নাম অনেকদিন থেকে বদলান না।


এতে করে কি হয়, হ্যাকাররা সহজেই বুঝে যান এই ব্যক্তি তার তথ্যের নিরাপত্তা সম্পর্কে উদাসীন। এতে আপনি সহজেই তাদের টার্গেটে পরিণত হয়। এজন্য ওয়াইফাই কানেক্ট করার পর এটির একটি নাম এবং শক্ত একটি পাসওয়ার্ড সেট করে দিন।


এবং প্রতি মাসেই আপনার ওয়াইফাই এর ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড বদলে নিয়েন। আরেকটা বিষয়, বিশ্বস্ত কোন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কাউকে ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড শেয়ার করতে যাবেন না।


আপনার ডিভাইসের ওয়াইফাই অটো কানেক্টেড থাকলে আগে ব্যবহৃত ওয়াইফাই সিগন্যাল পাওয়া মাত্রই ডিভাইসটি সংযুক্ত হয়ে যায়। অনেক সময় হ্যাকাররাও একই নামের ওয়াইফাই আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন ডিভাইস হ্যাক করে থাকে।


ওয়াইফাই অটো কানেক্টেড না রেখে কাজ শেষে সেটা বন্ধ রাখাই ভালো। এতে হ্যাকাররা আপনার তথ্য চুরির সুযোগ পাবে না বলেই আইটি এক্সপার্টরা বলছেন।


ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় ওয়েবসাইট ব্রাউজিং করার ক্ষেত্রে প্রতিটি url ভালো করে পর্যবেক্ষণ করুন। যদি ওয়েবসাইটের url এর শুরুতে https দেখেন, তাহলে বুঝবেন এই ওয়েব সাইটটি আপনার জন্য নিরাপদ। S দিয়ে secure বোঝানো হয়। যদি দেখেন http এর পরে কোন s নেই তাহলে অতি শীঘ্রই সেই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা বন্ধ করে দিন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ভালো ব্রাউজার ব্যবহার করা। যেমন Brave Browser


আপনি চাইলে Brave Browser ব্যবহার করতে পারেন। একটি ভালো ব্রাউজার আপনাকে অনিরাপদ ওয়েবসাইটের ব্যাপারে সতর্ক করে দেবে। আপনি চাইলে https everywhere Browser Extension টি ব্যবহার করতে পারে। জরুরি হলো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় যেকোনো সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক বা কোন কিছু ডাউনলোড করবেন না।


ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। তবে ফ্রী এন্টিভাইরাস নয়, চেষ্টা করুন ভালো মানের লাইসেন্সড্ এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে। এটি আপনাকে অনিরাপদ ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সম্পর্কে সতর্ক করবে।


উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালিত কম্পিউটারে ফায়ারওয়াল চালু রাখলে কিছুটা সুরক্ষিত থাকতে পারবেন। মোবাইল ব্রাউজার সেটিং অপশনে গিয়ে Do Not Track অপশনটি চালু করে রাখবেন। এতে করে আপনার লোকেশন কেউ ট্র্যাক করতে পারবে না। এছাড়া ইন্টার-কানেক্টেড অ্যাপ গুলোর ফাইল শেয়ারিং অপশনটি বন্ধ রাখলে ব্যক্তিগত ফাইল গুলো নিরাপদ রাখতে পারবেন।


এই নিয়মগুলো মেনে চললে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের আপনি যে শতভাগ নিরাপদ থাকবেন সেই গ্যারান্টি কিন্তু নেই। তবে, খুব সহজেই যে কারো টার্গেট হবেন না এতোটুকু বলা যেতে পারে।


ওয়াইফাই এর স্পিড বাড়াবেন কিভাবে?


ওয়াইফাই এর কারণে একসঙ্গে অনেকগুলো ডিভাইসকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় আনা যায়। এবং একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের ভিতরে কোন তার ছাড়াই নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়। ছোটখাটো কিছু বিষয় না জানার কারণে অনেক সময় এই ওয়াইফাই এর স্পিড স্লো হয়ে যায়। প্রযুক্তি বিষয়ক সংস্থা "Ofcom" কয়েকটি টিপস দিয়েছে।


  • নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান 5 গিগাহার্জ ডুয়েল ব্যান্ড কিংবা ট্রাই-ব্যান্ড মানে দুটি এন্টেনা বা তিনটি এন্টিনা যুক্ত রাউটার কিনুন।
  • এছাড়া কম্পিউটারের সঙ্গে ইন্টারনেটের সংযোগ ইথারনেট ক্যাবলের মাধ্যমে করা হলো স্পিড অনেক ভালো পাবেন।
  • যেখানে আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজ করা বেশি হয়, রাউটারটি তার কাছাকাছি বসাবেন।
  • রাউটার টি মাটিতে না রেখে টেবিলে বা উপরে কোথাও রাখুন।
  • দেয়াল ঘেঁষে না রেখে খোলা জায়গায় রাখলে ভালো হয়।
  • ওয়াইফাই এর স্পিড বাড়ানোর একটি মজার উপায় হলো রাউটারের যে ব্যান্ড তার উল্টো পাশে রুপালি রঙের একটি foil paper বসিয়ে দিন। এতে সিগনাল ভাল পাবেন।
  • ওয়াইফাই কভারেজ ভাল পেতে ম্যাশ ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা জরুরি।
  • নিয়মিত রাউটারের ফার্মওয়্যার আপডেট করুন।