Microsoft Windows 11: You Can Use From Today - মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ ১১: আজই ব্যবহার করুন নতুন সব ফিয়েচার

Microsoft Windows 11: You Can Use From Today - মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ ১১: আজই ব্যবহার করুন নতুন সব ফিয়েচার

 

অনেক প্রত্যাশা আর সময় পর মাইক্রোসফ্ট তাদের নতুন উইন্ডোজ আগমনের ঘোষনা দিয়েছে। তার চেয়েও বড় ব্যপার মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজটির পুরোপুরি রিলিজের আগে ব্যবহারকারীদের তা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার ও পরিপূর্ণ ডিজাইন সহ ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে।

 

ফলে নিয়মিত রিলিজের আগে অবধৈ ভাবে ফাঁস হবার সম্ভাবনাও অনেকটা কমে যাবে বলে মাইক্রোসফ্ট আশা করছে। উইন্ডোজ ১১-এর কিছু নতুন ফিচার যা ব্যবহারকারীরা ব্যবহার করতে পারবেন-

 


১. সেন্ট্রাল টাস্কবার, নতুন অ্যানিমেশন এবং গোলাকার ধরনের কোণ ও সাথে স্নিগ্ধ নতুন ডিজাইন।

২. পিনযুক্ত অ্যাপ্লিকেশন ও রিকমেন্ডডে সেকশন সহ নতুন স্টার্ট মেনু, যেখান থেকে সহজেই সেগুলো খোলা যাবে।

৩. রিডিজাইনড Notification Center (shortcut: Win + N) এবং Quick Settings Menu (Win + A), যেগুলো আগে একসাথে থাকলেও এখন আলাদা।

৪. চমৎকার নতুন ফাইল এক্সপ্লোরার যা অফিসের মতো রিবন ইন্টারফেস আরও আধুনিক এবং সিম্পল ডিজাইন সম্পন্ন।

৫. নতুন ডার্ক এবং লাইট মোড থিম সহ অনেগুলো অতিরিক্ত থিম রয়েছ নতুন উইন্ডোজ ১১ তে।

৬. নতুন Widgets সেকশনে (Win + W), যোগ করা হয়েছে calendar, weather, local traffic, your Microsoft To Do lists, OneDrive photos, sports (and e-sports), stocks, এবং tips। সেখানে আরো যোগ করা হয়েছে বিভিন্ন স্বনামধন্য নিউজ সাইট হতে news feed.

৭. যোগ করা হয়েছে চমৎকার ফিচার “স্ন্যাপ ল্যা আউট” ও “স্ন্যাপ গ্রুপ” যার মাধ্যমে সহজেই এরেঞ্জ করা যাবে মাল্টপিল উইন্ডো এবং সহজেই উইন্ডোগুলোতে একসেস করা যাবে প্রয়োজন হলেই।

৮. ভার্চুয়াল ডেস্কটপ ফাংশনালিটিগুলোকে আরো উন্নত করা হয়েছে।

৯. ডকিং ফাংশনালিটিরও অসাধারন ডেভেলপ করা হয়েছে। ফলে আরো সহজেই কোনো এপ ডকিং এবং রিজিউম করা যাবে।

১০. মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য নতুন তিন এবং চার-আঙুলের টাচস্ক্রিন গেশ্চার যোগ করা হয়েছে।

১১. রিফ্রেশ রেট অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে।

১২. কন্ট্রোল প্যানেলের পরিবর্তে যোগ করা হয়েছে শক্তিশালী ও উন্নত সেটিংস ম্যানু।

১৩.  উইন্ডোজ ১১ এর সাথে মিল রেখে অফিস ইনসাইডারকে দেয়া হয়েছে নতুন লুক।

১৪. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনড্রয়েড এপ সমর্থন। উইন্ডোজ ১১ তেই চালানো যাবে এনড্রয়েডে এপ। এটা উইন্ডোজের একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন বলে টেক এক্সপার্টরা বলছেন।

উইন্ডোজ ১১-এর এই প্রি সংস্করণটি এখনই উইন্ডোজের ডেভেলপার চ্যানেল থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এটি এখনো আনেক বাগ বা নিরাপত্তা জটিলতা সম্পন্ন হতে পারে। সেজন্য পরামর্শ থাকবে মূল পিসি বা ল্যাপটপে এই ডেভেলপার ভার্সনটি ব্যবহার না করার জন্য।

এক্সপার্ট না হলে ২০২১ এর শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করুন ও চমৎকার একটি উইন্ডোজ ১১- এর পূর্ণ সংস্করন ব্যবহার করুন।

 

সংক্ষেপে মাইক্রোসফ্ট:

মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন একটি প্রযুক্তি সংস্থা। সংস্থাটি বিভিন্ন সফ্টওয়্যার পণ্য, পরিষেবা, ডিভাইস নিয়ে কাজ করে। কোম্পানির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলির মাঝে রয়েছে ডেভেলপমেন্ট বিভাগ এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া, আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স, ক্লাউড এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটিং বিভাগ।

কোম্পানির পণ্যগুলিতে মাঝে যেমন অন্তর্ভুক্ত আছে অপারেটিং সিস্টেম, তেমনি আছে ক্রস ডিভাইস অ্যাপ্লিকেশন; সার্ভার অ্যাপ্লিকেশন; ব্যবসায়ের সমাধান অ্যাপ্লিকেশন; ডেস্কটপ এবং সার্ভার পরিচালনার সরঞ্জামসমূহ; সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সরঞ্জাম; এবং ভিডিও গেমস, ব্যক্তিগত কম্পিউটার (পিসি), ট্যাবলেট, গেমিং এবং বিনোদন কনসোল, অন্যান্য ইন্টালিজেন্স ডিভাইস এবং এসব সম্পর্কিত আনুষাঙ্গিক ডিভাইস ডিজাইন করা, তৈরি করা এবং বিক্রয় করা।

এটি ক্লাউড-ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা সহ সহ গ্রাহকদের নানা রকম সফ্টওয়্যার, আইটি পরিষেবা, এবং আইটি সামগ্রী সরবরাহ করে।

 

মাইক্রোসফ্ট এর শুরু:

১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং পল জি অ্যালেন, সিয়াটেলের দুই বাল্য বন্ধুর বন্ধু, প্রাথমিক স্তরের কম্পিউটার (পিসি), আল্টায়ার ব্যবহারের জন্য জনপ্রিয় মেইনফ্রেম কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বেসিককে রূপান্তর করেছিল। এর অল্প সময়ের পরে, গেটস এবং অ্যালেন মাইক্রোসফ্ট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, মাইক্রো কম্পিউটার এবং সফ্টওয়্যার শব্দ থেকে নামটি পেয়েছিলেন।